Monday, 29 August 2016

ছাগল-মুরগিতে দোষ নেই‚ যত দোষ গরু খেলে : মমতা




: ভারতে চলমান ধর্মীয় অসহিষ্ণুতার মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মন্তব্য করেছেন, ছাগল-মুরগিতে দোষ নেই‚ যত দোষ গরু খেলে। গতকাল বৃহস্পতিবার তৃণমূল কংগ্রেস আয়োজিত শহীদ দিবস উপলক্ষে কলকাতার ধর্মতলার জনসমাবেশে দাঁড়িয়ে এ কথা বলেন তিনি।

জনসভায় মমতা জানান, তিনি সংখ্যালঘুদের পাশে ছিলেন‚ আছেন‚ থাকবেন। এ ছাড়া ওই জনসভায় তীব্র ভাষায় বিজেপি তথা কেন্দ্রীয় সরকারকে আক্রমণ করেন তিনি।

সভায় মমতা ভারতের গুজরাট রাজ্যে নির্যাতিত দলিতদের প্রসঙ্গ তুলে বলেন, ‘ছাগল মুরগি খেলে দোষ নেই। গরু খেলেই দোষ! কেউ নিরামিষ খান। তাই বলে যাঁরা আমিষ খান তাঁদের আক্রমণ করবেন? শাড়ি-ধুতিতে দোষ নেই। যত অপরাধ সালোয়ার-কামিজ আর লুঙ্গিতে?’

নাম না ধরেই বিজেপির বিশেষায়িত দল রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক দলের (আরএসএস) সম্পর্কেও কথা বলেন মমতা। তিনি বলেন, ‘ভারতবাসী কী পরবে, কী খাবে‚ সেগুলো ঠিক করে দেবে একদল লোক?’

সভায় উপস্থিতদের মন্তব্য, সভায় বরাবরের মতো রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ সিপিএম বা কংগ্রেসকে নিয়ে কথা বলেননি মমতা। কথার আক্রমণ শানিয়েছেন বিজেপি তথা কেন্দ্রীয় সরকারের দিকে। রাজনৈতিক মহলের মতো মুখ্যমন্ত্রী বুঝেছেন, আগামী পঞ্চায়েত এবং লোকসভা নির্বাচনে তাঁর মূল প্রতিপক্ষ বিজেপির পদ্ম, কাস্তে হাতুড়ি বা হাত নয়। তাই এখন থেকেই কেন্দ্রীয় সরকারকে আক্রমণ করে পশ্চিমবঙ্গের দুবারের মুখ্যমন্ত্রী শুনিয়ে দিলেন রণহুঙ্কার।

Monday, 1 August 2016

তাবলিগের চিল্লায় গিয়ে ছেলে জঙ্গি হবে স্বপ্নেও ভাবিনি !





তাবলিগের চিল্লায় গিয়ে ছেলে জঙ্গি হবে স্বপ্নেও ভাবিনি !



জঙ্গি শফিকুল ইসলাম উজ্জ্বলের শয্যাশায়ী মা বৃদ্ধা আসিয়া বেগম
রাক্ষুসী যমুনার পেটে সব জমি যাওয়ায় নিঃস্ব হয়ে গেছি। অনেক কষ্টে ছেলেকে লেখাপড়া করিয়েছি।তাবলিগ জামায়াতের চিল্লায়  যাবার নামে ছেলে জঙ্গি হবে তা কখনও স্বপ্নেও ভাবিনি।
আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১০জুলাইঃঢাকার গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে নৃশংস হত্যাকাণ্ডে জড়িত ও নিহত জঙ্গি শফিকুল ইসলাম উজ্জ্বলের শয্যাশায়ী মা বৃদ্ধা আসিয়া বেগম এসব কথা বলেন।
গত (মঙ্গলবার) বিকালে বগুড়ার ধুনট উপজেলার বানিয়াজান চল্লিশপাড়া গ্রামের বাড়িতে কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি বলেন, ‘জঙ্গি হবে জানতে পারলে তাকে কখনও চিল্লায় যেতে দিতাম না। ছেলের এ ঘটনায় সকলের কাছে ক্ষমা চাই। পারলে তাকে ক্ষমা করে দিবেন। স্বামী ও বড় ছেলে নিরাপরাধ তাদের যেন কোনো ক্ষতি না হয়। আর ছেলের লাশটি ফেরত চাই।
তার মত গ্রামের অনেকেই বিশ্বাস করেন যে, তাদের ধার্মিক, সৎ ও মেধাবী উজ্জ্বল নৃশংস জঙ্গি হতে পারে না।
মঙ্গলবার বিকালে বগুড়া শহর থেকে প্রায় ৪৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে ধুনট উপজেলার ভাণ্ডারবাড়ি ইউনিয়নের বানিয়াজান চল্লিশপাড়া গ্রামে গিয়ে দেখা গেছে, নিহত জঙ্গি শফিকুল ইসলাম উজ্জ্বলের বাড়ির সামনে গ্রামবাসীদের ভিড়। সাংবাদিকদের দেখে তারাও এগিয়ে আসেন।
যমুনা নদীতে কৈয়াগাড়ি গ্রামে বাড়িঘর ও আবাদি জমি হারিয়ে নিঃস্ব কৃষক বদিউজ্জামান প্রায় দুবছর আগে ওই স্থানে টিনের বাড়ি করেন।
ভাতিজি টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজে নার্সিং ডিপ্লোমার ছাত্রী কেয়া আকতার জানান, বদিউজ্জামানের তিন ছেলের মধ্যে উজ্জ্বল সবার ছোট। কৈয়াগাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে প্রাথমিক, ২০০৫ সালে গোসাইবাড়ি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি এবং ২০০৭ সালে গোসাইবাড়ি ডিগ্রি কলেজ থেকে এইচএসসি ও ২০১১ সালে একই কলেজ থেকে বিএ পাশ করেন।সুত্র-

জঙ্গিবাদ প্রতিরোধে বিশ্ব জাকের মঞ্জিল আলিয়া কামিল মাদ্রাসার মানব বন্ধনর



আজ জঙ্গিবাদ প্রতিরোধে বিশ্ব জাকের মঞ্জিল আলিয়া কামিল মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রী এবং শিক্ষক মণ্ডলীর বিশাল এক মানব বন্ধনের আয়োজন করেন ।