জঙ্গি শফিকুল ইসলাম উজ্জ্বলের শয্যাশায়ী মা বৃদ্ধা
আসিয়া বেগম
“রাক্ষুসী যমুনার পেটে সব জমি যাওয়ায় নিঃস্ব হয়ে গেছি। অনেক কষ্টে ছেলেকে
লেখাপড়া করিয়েছি।তাবলিগ জামায়াতের চিল্লায় যাবার নামে ছেলে জঙ্গি হবে তা কখনও স্বপ্নেও ভাবিনি।”
আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১০জুলাইঃঢাকার গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে নৃশংস হত্যাকাণ্ডে
জড়িত ও নিহত জঙ্গি শফিকুল ইসলাম উজ্জ্বলের শয্যাশায়ী মা বৃদ্ধা আসিয়া বেগম এসব কথা বলেন।
গত (মঙ্গলবার) বিকালে বগুড়ার ধুনট উপজেলার বানিয়াজান চল্লিশপাড়া গ্রামের বাড়িতে কান্নাজড়িত কণ্ঠে
তিনি বলেন, ‘জঙ্গি হবে জানতে পারলে তাকে কখনও চিল্লায় যেতে দিতাম না।
ছেলের এ ঘটনায় সকলের কাছে ক্ষমা চাই। পারলে তাকে ক্ষমা করে দিবেন। স্বামী ও বড় ছেলে নিরাপরাধ তাদের যেন কোনো ক্ষতি না হয়। আর
ছেলের লাশটি ফেরত চাই।‘
তার মত গ্রামের অনেকেই বিশ্বাস করেন যে, তাদের ধার্মিক, সৎ ও মেধাবী উজ্জ্বল নৃশংস জঙ্গি
হতে পারে না।
মঙ্গলবার বিকালে বগুড়া শহর থেকে প্রায় ৪৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে ধুনট উপজেলার ভাণ্ডারবাড়ি
ইউনিয়নের বানিয়াজান চল্লিশপাড়া গ্রামে গিয়ে দেখা গেছে, নিহত জঙ্গি শফিকুল ইসলাম উজ্জ্বলের বাড়ির সামনে গ্রামবাসীদের ভিড়। সাংবাদিকদের দেখে তারাও
এগিয়ে আসেন।
যমুনা নদীতে কৈয়াগাড়ি গ্রামে বাড়িঘর ও আবাদি জমি হারিয়ে নিঃস্ব কৃষক
বদিউজ্জামান প্রায় দু’বছর আগে ওই স্থানে টিনের বাড়ি করেন।
ভাতিজি টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজে নার্সিং ডিপ্লোমার ছাত্রী কেয়া আকতার জানান, বদিউজ্জামানের তিন ছেলের মধ্যে উজ্জ্বল সবার ছোট। কৈয়াগাড়ি সরকারি প্রাথমিক
বিদ্যালয় থেকে প্রাথমিক, ২০০৫ সালে গোসাইবাড়ি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি এবং ২০০৭ সালে
গোসাইবাড়ি ডিগ্রি কলেজ থেকে এইচএসসি ও ২০১১ সালে একই কলেজ থেকে বিএ পাশ করেন।সুত্র-
|
No comments:
Post a Comment