Sunday, 31 July 2016

আজ CPHD মানব বন্ধন

সম্প্রতি ঘটে যাওয়া জঙ্গী হামলাসহ দেশে বিরাজমান সকল প্রকার সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের প্রতিবাদে বেসরকারী জনকল্যানমূলক প্রতিষ্ঠান "সিপিএইচডি" এর উদ্যোগে এক বিরাট মানব-বন্ধন কর্মসূচী গ্রহণ করা হয়েছে। তেজগাঁওস্থ এফডিসির মোড়ে অবস্থিত সিপিএইচডি হাসপাতালের সামনের সড়কে আগামীকাল ১ আগষ্ট সকাল ১১টায় এই মানব-বন্ধন কর্মসূচি পালন করা হবে। দেশের সকল সচেতন নাগরিককে সাথে নিয়ে আপনারা উক্ত মানব-বন্ধন কর্মসূচীতে অংশ গ্রহণ করে জঙ্গীবাদের বিরুদ্ধে নিজ নিজ কন্ঠস্বরকে সোচ্চার করুন।

ইসলামের নামে সারা বিশ্বে জংগীবাদ আজ মুসলিম বিশ্বকে লন্ডভন্ড করে মানব সমাজকে আতংকিত করে জন জীবন বিপয্যদস্ত করে শান্তির ধম্ম মানবেতার ধম্ম সম্প্রীতির ধম্ম ঐক্যের ধম্ম প্রেমের ধম্ম ইসলামের ভাবমুত্তি ধুলিষাৎ করেছে।শান্তি ও মুক্তিকামী প্রতিটি মানুষ এই মানব-- বন্ধনে অংশ নিয়ে এই অশুভ শক্তিকে শুধু পতিহতই নয় প্রতিরোধ করে মানব সভ্যতাকে আতংকমুক্ত করে ইসলামের ভাবমুত্তি পুন:প্রতিস্থিত করত সারা বিশ্বে শান্তির সুবাতাস বইয়ে দেই।

Friday, 29 July 2016

জামায়া জম্মগত ভাবে সন্ত্রাসী

২০২০ সালের মধ্য ভারত উপমহাদেশ দখল করবে আই এস


                                         




 সাম্প্রতিককালের জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে দুইপৃষ্ঠার একটি        জনসচেতনামুলক রিপলেট বের করেছে বাংলাদেশ ইসলামীক ফাউন্ডেশন । উক্ত রিপলেটে বলা হয় বর্তমানের সবচাইতে উগ্রপন্থী জঙ্গিগোষ্টি ইসলামীক ইস্টেট(আই এস) বিশ্ব ব্যাপী ইসলামীক রাষ্ট্র কায়েম করে ক্ষমতায় আরহনের লক্ষে জঙ্গিরা ২০২০ সালের মধ্য ভারত উপমহাদেশ তাদের দখলে নেয়ার কথা স্বীকার করেছে । আর এই লক্ষে ডাঃ জাকির নায়েক জঙ্গিবাদের দিকে কিশর-যুবকদের কে উস্কানী দিচ্ছে বলে বলা হয় । সেই সাথে বাংলাদেশের জামাত-শিবির সহ বাংলাদেশের বিভিন্ন জঙ্গিরাও আই এস এর এই পথকে প্রসস্থ করার প্রচেষ্টা করছে । এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ কে ভারত উপমহাদেশে ঢুকার মুখদার হিসাবে ব্যবহার করার সুযোগ নিচ্ছে ইসলামিক ইস্টেট (আই এস) জঙ্গিরা ।  

Tuesday, 26 July 2016

কল্যাণপুরে জঙ্গি আস্তানায় বিপুল পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধার





নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজধানীর কল্যাণপুরে ছয় তলা ভবনের পঞ্চম তলায় অবস্থিত জঙ্গি আস্তানার চারটি রুমে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) জনসংযোগ শাখার উপকমিশনার (ডিসি) মাসুদুর রহমান ডিএমপি কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, জঙ্গি আস্তানা থেকে ১৫ রাউন্ড বুলেট, ১১টি চাকু, দুটি রামদা, চারটি পিস্তল, একটি হাতুড়ি উদ্ধার করা হয়েছে। এ ছাড়া কালো ড্রেস, পাগড়ি, পোশাক, ব্যাগ, চাবি, সানগ্লাস পাওয়া গেছে।

নিহত নয়জন জঙ্গির মরদেহ ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে। এ বিষয়ে দুপুর আড়াইটায় ডিএমপি কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে বিস্তারিত জানান ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া।

প্রসঙ্গত, রাজধানীর কল্যাণপুরের তাজ মঞ্জিল নামের ওই বাড়িতে মঙ্গলবার সকালে ‘অপারেশন স্টর্ম ২৬’ পরিচালনা করে সোয়াত দল, পুলিশ ও র‌্যাব। এ সময় নয়জন নিহত হয়েছে। হাসান নামে একজনকে আহত অবস্থায় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।


রাইজিংবিডি/ঢাকা/২৬ জুলাই ২০১৬/এফবি/হাসান/সাইফুল

Thursday, 21 July 2016

সব মসজিদের জন্য জুমার একই খুতবার ঘোষণা

সারা দেশের সব মসজিদের জন্য জুমার একই খুতবার ঘোষণা দিয়েছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন। সকল মসজিদে জুমার নামাজের আগে এই খুতবা দেয়া হবে। সারা দেশের জন্য ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ঘোষিত জুমার খুতবায় যা লেখা রয়েছে এক নজরে দেখে নিন।
খুতবার বাংলা তরজমায় বলা হয়েছে, “হে মসুলমানগণ! একজন মানুষ সে যাই হোক না কেন- তার জন্য পৃথিবীকে নিরাপদ জীবন ধারণের অধিকার স্বীকৃত। সে মুমিন হোক কিংবা কাফির হোক কিংবা ফাসেক হোক। অন্যায়ভাবে কোনো মানুষকে খুন করা কিংবা তার সম্পদ গ্রাস করা কিংবা তাকে অপমানিত করা হারাম। কুরআন বলেছে, আল্লাহ যার হত্যা নিষিদ্ধ করেছেন যথার্থ কারণ ব্যতিরেকে তাকে হত্যা করো না এবং আরো এরশাদ হচ্ছে যে ব্যক্তি অন্যায়ভাবে কোনো মানুষকে হত্যা করল সে যেন দুনিয়ার সকল মানুষকেই হত্যা করল।”“মহানবী বলেন, সর্বোচ্চ কবিরা গোনাহ হল মানুষ খুন করা। এখানে মুসলিম অমুসলিম পার্থক্য করা হয়নি।”
খুতবায় অভিভাবকদের সচেতন করে বলা হয়েছে, “আপনারা আপনাদের সন্তান-সন্ততির বিষয়ে বিশেষভাবে মনোযোগী ও সাবধান থাকুন। তাদেরকে সুন্দর চরিত্রের শিক্ষা দিন। তাদের বিষয়ে সজাগ থাকুন যে আপনার সন্তানকে আপনার চোখ ফাঁকি দিয়ে যেন সন্ত্রাসীরা কেড়ে নিতে না পারে। সন্ত্রাসীরা এই অবুঝ সরল কিশোরদেরকে পরিবারের নিয়ন্ত্রণ থেকে ভাগিয়ে নিয়ে নানা অপকর্মের প্রশিক্ষণ দিয়ে জঙ্গি বানাতে চেষ্টা করে থাকে।”
খুতবার উপসংহারে বলা হয়েছে, “সবশেষে আমরা আহ্বান করি আমাদের সন্তানদেরকে, আমাদের যুবকদেরকে সকল সন্ত্রাসী কার্যক্রম থেকে বেঁচে থাকতে, হে আল্লাহ! আমাদের দেশ বাংলাদেশ। এ দেশকে আপনি সন্ত্রাস ও বিপর্যয় থেকে রক্ষা করুন এবং একে শান্তি ও সমৃদ্ধির দেশে পরিণত করুন।”

Wednesday, 20 July 2016

বাংলাদেশ সরকারকে জাকির নায়েকের চ্যালেঞ্জ


 ভারতের বিতর্কিত ইসলামি চিন্তাবিদ, বক্তা ও লেখক জাকির নায়েক বাংলাদেশ সরকারকে চ্যালেঞ্জ করে বলেছেন, ‘তিনি কখনই কোনো সন্ত্রাসী কাজে উৎসাহ দেননি।’ তিনি বলেন, ‘জিহাদের নামে আত্মঘাতী হামলা চালিয়ে নিরাপরাধ মানুষকে হত্যা করা ইসলামে দ্বিতীয় বড় পাপ। এটি ইসলামে নিষিদ্ধ ও হারাম।’
বাংলাদেশ সরকারকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে তিনি বলেছেন, ‘তার ভাষণের কোনো অংশটা সেদেশে অশান্তি সৃষ্টি করতে পারে বলে অভিযোগ তোলা হচ্ছে, সেই পুরো অনুষ্ঠানটা দেখানো হোক।’
ভারতীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে সৌদি আরবের মদিনা থেকে স্কাইপের মাধ্যমে জাকির নায়েক এক সংবাদ সম্মেলনে বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দিয়েছেন। জাকির নায়েক ওই সংবাদ সম্মেলনে খুব জোরালোভাবে বলেন, তিনি তার কোনো ভাষণেই সন্ত্রাসের পক্ষে কথা বলেননি।
তিনি বলেন, ‘ডক্টরড টেপ’ অর্থাৎ কাটছাঁট করা ভিডিও দেখেই তার বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদে মদত দেওয়ার অভিযোগ করছে সংবাদ মাধ্যমগুলো।
জাকির নায়েক বলেন, ‘সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘুরছে এরকম ছোট ছোট কিছু ভিডিও ক্লিপ দেখেই এধরনের অভিযোগ করা হচ্ছে। কয়েকটা ভিডিও ক্লিপে আবার আমার ভাষণের একটা দুটো বাক্য অপ্রাসঙ্গিক ভাবে তুলে নিয়ে প্রচার করা হচ্ছেতিনি বলেন, ‘আমি চ্যালেঞ্জ করে বলছি, পিস টিভিতে দেওয়া আমার পুরো ভাষণগুলো কেউ দেখাক। তারপরে বলুক যে কোন অংশটা ভারত বা বাংলাদেশের জন্য অশান্তি তৈরি করতে পারে?’
তথাকথিত ইসলামিক স্টেটের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে সম্প্রতি ভারতে আটক এক যুবকের বাবা অভিযোগ করেছেন যে তার ছেলে জাকির নায়েকের সঙ্গে দেখা করেছিল।
এই প্রসঙ্গে জাকির নায়েক বলেন, তিনি প্রতি মাসে কয়েক হাজার মানুষের সঙ্গে দেখা করেন। তারা তার সঙ্গে ছবিও তোলেন। কিন্তু তাদের মধ্যে মাত্র হাতে গোনা কয়েকজনকেই হয়তো তিনি ব্যক্তিগতভাবে চেনেন।
জাকির নায়েক বলেন, ‘জ্ঞাতসারে আমি কোনো সন্ত্রাসবাদীর সঙ্গে দেখা করিনি। কিন্তু হাজার হাজার মানুষের মধ্যে যদি এমন ব্যক্তি কেউ থেকে থাকেন যিনি সন্ত্রাসবাদী, তাহলে তো সেটা আমার পক্ষে বোঝা সম্ভব নয়।’
ভারতে তার পিস টি ভি চ্যানেলটি দেখানোর অনুমতি কেন দেয়নি সরকার, সেই প্রসঙ্গেও কথা বলেন জাকির নায়েক। তিনি বলেন, ‘কেন অনুমতি দেওয়া হয়নি, তার একটা কারণ এমন হতে পারে- পিস টিভি একটা মুসলিম চ্যানেল, এটা ইসলামি চ্যানেল। সেজন্যই অনুমতি দেয়নি ভারত সরকার।’
নিজেকে নির্দোষ দাবি করে তিনি বলেন, ‘ আমি একটি পেনড্রাইভ দিবো, যাতে আমার বিরুদ্ধে সমস্ত অভিযোগের জবাব দেওয়া হয়েছে। বিতর্কিত মানসিকতা পরিত্যাগ করে এটি দেখুন, আমাকে আপনারা নির্দোষ হিসেবেই দেখতে পাবেন।’

জাকির নায়েককে ব্রিটেনে প্রবেশ করতে দেননি ব্রিটেনের নতুন প্রধানমন্ত্রী


 ব্রিটেনের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন টেরেসা মে। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগে ছয় বছর দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন তিনি। ব্রেক্সিট ভোটকে কেন্দ্র করে ডেভিড ক্যামেরনের পদত্যাগের পর নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বুধবার ক্ষমতা গ্রহণ করেন টেরেসা মে। মার্গারেট থ্যাচারের পর যুক্তরাজ্যের দ্বিতীয় নারী প্রধানমন্ত্রী হলেন তিনি।
২০১০ সালে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকার সময় টেরেসা মে ভারতের বিতর্কিত ইসলামি বক্তা, নেতা এবং গবেষক জাকির নায়েকের ব্রিটেনে প্রবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিলেন।
ব্রিটেনে একটি সম্মেলনে যোগ দেওয়ার কথা ছিল জাকির নায়েকের। মুম্বাই থেকে বিমানে চাপার কয়েক ঘণ্টা আগে জাকির নায়েকের পাঁচ বছর মেয়াদের ইউকে ভিসা বাতিল করেন টেরেসা।
জাকির নায়েকের ভিসা বাতিলের কারণ হিসেবে তিনি জানিয়েছিলেন, জাকির নায়েকের বক্তৃতা সন্ত্রাসে উসকানি দেয়। তিনি ব্রিটেনে এলে দেশবাসীর জন্য তা মোটেও ভালো হবে না। এজন্যই জাকির নায়েককে ব্রিটেনে প্রবেশ করতে দেয়া হয়নি।
সূত্র : জি নিউজ

জাকির নায়েককে হত্যা করতে পারলে ৫০ লাখরুপি পুরস্কার

 




ভারতের হিন্দুবাদী নেত্রী সাধ্বী প্রাচী ঘোষণা করেছেন, প্রখ্যাত ইসলামপ্রচারক জাকির নায়েককে হত্যা করতে পারলে ৫০ লাখ রুপি পুরস্কার দেয়া হবে। বুধবার উত্তরখণ্ডে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এই ঘোষণা দেন।
প্রাচী বলেন, আমার পুরস্কার ঘোষণার কারণ হলো, আমি মনে করি, জাকির নায়েক ধর্মপ্রচারক নন, বরং তিনি সন্ত্রাসী।
বিশ্বহিন্দু পরিষদের সাবেক নেতা প্রাচী অবশ্য বলেন, তিনি ব্যক্তিগতভঅবে এই পুরস্কার ঘোষণা করছেন। এটা তার দলের সাথে সম্পর্কিত নয়। -গত মঙ্গলবার হোসাইনি টাইগার নামের একটি শিয়া গ্রুপ জাকির নায়েককে হত্যার জন্য ১৫ লাখ রুপি পুরস্কার ঘোষণা করার পর প্রাচী এই ঘোষণা দিলেন।
সূত্র : ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস  
ভারতের হিন্দুবাদী নেত্রী সাধ্বী প্রাচী ঘোষণা করেছেন, প্রখ্যাত ইসলামপ্রচারক জাকির নায়েককে হত্যা করতে পারলে ৫০ লাখ রুপি পুরস্কার দেয়া হবে। বুধবার উত্তরখণ্ডে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এই ঘোষণা দেন।
প্রাচী বলেন, আমার পুরস্কার ঘোষণার কারণ হলো, আমি মনে করি, জাকির নায়েক ধর্মপ্রচারক নন, বরং তিনি সন্ত্রাসী।
বিশ্বহিন্দু পরিষদের সাবেক নেতা প্রাচী অবশ্য বলেন, তিনি ব্যক্তিগতভঅবে এই পুরস্কার ঘোষণা করছেন। এটা তার দলের সাথে সম্পর্কিত নয়।
- See more at: http://www.dailynayadiganta.com/detail/news/135613#sthash.5nYOEy9x.dpuf

ভোটে হেরে মসজিদে দান করা ফ্যান খুলে নিলেন জামাত নেতা(jamater kando)

                                                


জেলা প্রতিনিধিঃ-  ভোটে হেরে মসজিদে দান করা ফ্যান খুলে নিয়ে গিয়ে এবার তুমুল এক বিতর্কিত কান্ড ঘটালেন জামাত নেতা হাসান আলী। স্থানীয় জনগন ‘প্রতিশ্রুতি’ দিয়েছিলো তাকে নির্বাচিত করা হবে এবারের ভোটে। ‘সেই আশায়’ স্থানীয় একটি মসজিদে ভোট প্রত্যাশি সাবেক শিবির ও বর্তমান জামাত ইসলামী নেতা হাসান আলী দুটি ফ্যান দান করেছিলেন। তবে মসজিদে ‘দান’ করা সেই ফ্যানগুলো রাগে ক্ষোভে গতকাল নিজে উপস্থিত থেকে খুলে নিয়ে গেছেন তিনি। নির্বাচন এর আগেই আমি ফ্যান কিনে দিলাম যেন এলাকার মানুষ শান্তিতে নামাজ পরতে পারে, “গ্রামবাসীর এতো বড় উপকার করার পরেও ভোটাররা আমাকে ভোট দেয়নি, এবার এ এলাকার মানুষকে শান্তিতে থাকতে দেয়া হবে না। এ কারণে আমি নিজ থেকেই ফেরত নিয়েছি।” গত ২৮শে মে পঞ্চম ধাপের অনুষ্ঠিত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের সময় ঘটনাটি ঘটেছে ঠাকুরগাঁও জেলার সদর উপজেলার ১২ং সালান্দর ইউনিয়নে। অনুষ্ঠিত ইউপি নির্বাচনে হেরে গিয়ে তিনি ‘ক্ষুব্ধ’ হয়ে এই কাজটি করেন বলে জানা গেছে।

"পিঁপড়াদের মহানগরী" (Ant's Super colony)...


বিশেষজ্ঞদের মতে মানুষের পরেই পিঁপড়ারা সব থেকে জটিল সামাজিক ব্যাবস্থা গড়ে তুলতে সক্ষম। এজন্যই এই মহানগরী এতটা জটিল ভাবে গড়ে তোলা হয়েছে।
২০০০ সাল পর্যন্ত সবচেয়ে বড় পিঁপড়াদের মহানগরী ছিলো জাপানের "হোক্কাইডো(HOKKAIDO)" উপকূলের "ইশিকার(ISHIKAR)" অঞ্চলে।
আনুমানিক প্রায় ২.৭ বর্গ কিলোমিটার(৬৭০ একর প্রায়)জায়গা জুড়ে অবস্থিত মহানগরীতে ৩০৬ মিলিয়ন কর্মী পিঁপড়া, ১ মিলিয়ন রাণী পিঁপড়া ৪৫০০০ বাসায় অবস্থান করে।
কিন্তু ২০০০ সালে আর্জেন্টাইন পিঁপড়াদের আরেকটি মহানগরীর খোজ মেলে দক্ষিণ ইউরোপে।ভূমধ্যসাগরীয় এবং আটলান্টিক উপকূল সংলগ্ন প্রায় ৬০০৪ কিলোমিটার (৩৭৩১ মিটার) এলাকা জুড়ে ৩৩ প্রজাতির পিঁপড়া ৩০ টি পিঁপড়া মহানগরীর অন্তর্ভূত ছিলো।
আবার ব্রাজিলে বেশ বড় একটি পিঁপড়ার বাসার সন্ধান পাওয়া যায়।যেটাতে বিজ্ঞানীরা টানা ৩ দিন ধরে ১০ টন সিমেন্ট ঢালার পর সেটি পূর্ণ হয়।এখানে একটি রাণী পিঁপড়ার অধীনে ৩০০ মিলিয়ন পিঁপড়া বাস করত।এই মহানগরী তৈরী করতে প্রায় ৪০ টনের মত মাটি সরাতে হয়েছিলো বলে ধারণা করা হয়।
সেই মহানগরীর কিছু বৈশিষ্ট্য হলো :
→বায়ু প্রবাহ এবং পর্যাপ্ত বাতাস চলাচলের জন্য আলাদা আলাদা সুড়ঙ্গ ছিলো।
→মহানগরীর কেন্দ্রকে পুরো মহানগরীর সাথে সংযুক্ত রাখতে মহাসড়কও ছিলো।
→এখানে ফাঙ্গাসের বাগান করে,ফাঙ্গাসের চাষ করা করত তারা।এই ফাঙ্গাসের লার্ভাই পিঁপড়ার মূল খাবার।
→রাণী পিঁপড়ার বাসস্থান সবথেকে বড় করে গড়ে তোলা হয়।এছাড়াও আশে পাশে যত খালি জায়গা আছে,সব গুলো সৈনিক পিঁপড়াদের থাকার স্থান।

Tuesday, 19 July 2016

এক অসুহায় বিখ্যাত মনিষী


পৃথিবীকাঁপানো এই বিখ্যাত মনিষীর কাহিনী পড়ে আমি স্তম্ভিত হয়ে গেছি। হায়রে মানব জীবন! ১৯৬১ সালে পুরো ভারতবর্ষে মাধ্যমিক পরীক্ষায় প্রথম। এরপর ১৯৬৩ সালে ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া
থেকে মাত্র দুবছরের মাঝে গণিতে মাস্টার্স ডিগ্রী লাভ করে ১৯৬৯ সালে গণিতে পিএইচডি।Reproducing Kernels and Operators with a Cyclic Vector- এর জনক হিসাবে স্বীকৃতি। ১৯৬৯ সালেই নাসার গবেষক হিসাবে যোগদান করে ১৯৭৩ সালে দেশ সেবার মহানব্রত নিয়ে ফিরে আসেন ভারতে। নাসা'তে উনার অভূতপূর্ব সাফল্যের জন্য বলা হয়েছিলো- গণিতে যদি কোনো নোবেল পুরস্কার থাকতো তবে সেটা উনারই প্রাপ্য হতো। আইআইটি সহ ভারতের একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনায় নিজেকে নিয়োজিত করেন। তারপর শুরু হতে থাকে ধীরে ধীরে উনার মানসিক ভারসাম্য হীনতা। তিনি সিজোফ্রেনিয়া নামক একটি রোগে আক্রান্ত হন। (এ রোগের বৈশিষ্ট্য হচ্ছে ভুলভাল শোনা, উদ্ভট, বিভ্রান্তিকর বা অলীক কিছু দেখা এবং অসঙ্গতিপূর্ণ কথাবার্তা এবং চিন্তাধারা এবং অনুভূতির প্রকাশের মধ্যে সঙ্গতি থাকে না। এ রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি সামাজিক বা কর্মক্ষেত্রে প্রায়শঃই অক্ষমতাজনিত অসুবিধার সম্মুখীন হন।)
উনি স্ত্রী, ঘর ,সংসার সবকিছু থেকে আলাদা হয়ে যান। প্রায় তিন বছর ব্যাঙ্গালোরের একটি মেডিকেলে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় ১৯৮৮ সালের পর থেকে একেবারেই নিঁখোজ । কারো সাথে কোনো যোগাযোগ নেই। কেউজানেনা উনি বেঁচে আছেন নাকি মারা গেছেন।তারপর, ১৯৯২ সালে উনাকে পাওয়া
যায় গৃহহীন হয়ে বিহারের রাস্তার ফুটপাথে অর্ধউলঙ্গ হয়ে শুয়ে আছেন। কোনো কথা নেই, কাউকে চিনেন না। গণিতের অসংখ্য সূত্র যিনি পৃষ্ঠার পর পৃষ্ঠা মুহুর্তেই বলে দিতে পারতেন- সেই বিদ্বান, মনিষী, গণিত বিজ্ঞানী নিজের নামটিও আর বলতে পারেননা। শুধু ভারত নয় , ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে উনি একনামে পরিচিতগণিত বিজ্ঞানী হিসাবে - ড: বশিষ্ঠ নারায়ণ সিংহ। Dr. VashishthaNarayanSingh। বিহারে যখন উনাকে ভবঘুরে অবস্থায়পাওয়া যায় তখনকার এই ছবি-পুরো ভারতবর্ষের মানুষ বিশেষ করে শিক্ষিতজন উনার এই ছবি দেখে চমকে ওঠেছিলো। টাইমস অব ইন্ডিয়ায় হেডলাইন হয়। পাটনার এক ঘরে এখন তিনি বলতে গেলে একেবারে একাকী জীবন যাপন করেন।এই অসামান্য গুণী মানুষের জীবন কাহিনী পড়ে আমি নিথর,নীরব, নিস্তব্ধ হয়ে গেছি। হারিয়ে গেছি এক ভাবনার জগতে। হায়!! মানব জীবন!! আমরা কত বেশি অসহায়!!! কত রহস্যময় এই পৃথিবী।
কখন,কেমন করে,কীভাবে যে কি হয়ে যায়। নিমিষেই বদলে যায় মানুষের জীবন। এই রকম জীবন্ত একটা দৃষ্টান্ত থেকে যদি শিখার কিছু না থাকে তবে আমাদের চেয়ে হতভাগা আর কেউ নেই। নিমিষেই সবকিছু চূর্ণ হয়ে যায়।................

পোষ্টটি শেয়ার করে সবাইকে জানার সুযোগ করে দিন..

সারা দেশে জাকের পার্টির ১১৩ ঈদের জামায়াত

অনেকেই জাকের পার্টি নিয়ে হাসি তামাশা করেন, দুই দুই বার জাতীয় নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেছে কোন সিট পায় নি, তারা কি করে সংসদে যাবে? অনেক দরবারের পীরেরা আমাদের বিরুধ্যে ফতুয়া দেন, সুন্নিদের মধ্যে বেশীর ভাগেই আমাদের সমালোচনায় মুখর থাকেন, আমরা নাকি সুন্নিয়তের জন্য কিছুই করিনা। ওহাবীরা তো ঢোল তবলা আর মাইক নিয়া স্লোগান দিতেছে, বেদাত, হারাম, নাজায়েজ শিরক সব নাকি আটরশীতে চলতেছে ইত্যাদি ইত্যাদি।

আসলে যারা এইসব মিথ্যা প্রোপাগান্ডা চড়াচ্ছেন তারা বিশ্ব ওলী খাজাবাবা ফরিদপুরী (কু:ছে:আ:) ছাহেব, বিশ্ব জাকের মঞ্জিল এবং জাকের পার্টি সম্পর্কে সামান্যতম জ্ঞান বা ধারনা রাখেন না।
জাকের পার্টি ক্ষমতা কেন্দ্রিক পার্টি না, আদর্শ কেন্দ্রিক পার্টি। যার কারনে নিরবে নিভৃতে বিশ্ব ওলী খাজাবাবা ফরিদপুরী (কু:ছে:আ:) ছাহেবের পবিত্র দরশন আদর্শ কে বুকে ধারন করে আদব, বুদ্ধি, মহব্বত ও সাহসের বলে বলিয়ান হয়ে জাকের পার্টির প্রতিটি সদস্য সদস্যা পাড়া মহল্লা, ওয়ার্ড, গ্রাম, ইউনিয়ন, উপজেলা, জেলা, বিভাগ মহানগর কেন্দ্র পর্যন্ত নিরলস ভাবে সেচ্ছায় কাজ করে যাচ্ছে দেশ ও দেশের মানুষের জন্য, সত্য ইসলামের আদর্শ এবং তার রুপরেখা সকলের মাঝে ছড়িয়ে দেয়ার জন্য। মারামারি, রক্তপাত, হত্যা হানাহানি মানুষের সম্পদহানি হরতাল ভাংচুর বোমাবাজি জাকের পার্টির রাজনিতি না।

প্রেম ভালবাসা দয়া মমতা উদারতা আর ক্ষমার অনন্য এক নজির উপস্থাপন করে বিশ্ব ওলী খাজাবাবা ফরিদপুরী (কু:ছে:আ:) ছাহেব আজ থেকে সাতষট্টি বছর পুরবে বিশ্ব জাকের মঞ্জিলে যে বিজ বপন করেছিলেন, তা ধিরে ধিরে অনকুর থেকে চারাগাছ, চারাগাছ থেকে ফলবান বৃক্ষে পরিনত হতে ফুলে ফুলে শুরভি ছড়াচ্ছে।

তারেই সামান্য নমুনা মাত্র, পবিত্র ঈদ-উল-ফেতর এর মহা জামাত জাকের পার্টির মাধ্যমে ১১৩টি স্পটে দেশের প্রতিটি জেলা সদর, মহানগর এবং বিভাগীয় সদরে ব্যাপক উতসাহ উদ্দীপনা ভাবগাম্ভীর্যের মধ্যে দিয়ে সফল ভাবে সমাপ্ত হয়।
সারাদেশে দুর্যোগপুরন আবহাওয়া, যেখানে মুশলধারে বৃষ্টি হচ্ছে, বৃষ্টির কারনে অনেক ঈদগাহ ময়দান খালি ছিল, সেখানে বিশ্ব ওলীর দয়া এবং আল্লাহতায়ালার অশেষ রহমতে জাকের পার্টির তত্বাবদানে এবং সার্বিক ব্যাবস্থাপনায় অত্যান্ত সুন্দর ও শান্তিপুরনভানবে সমাপ্ত হয়েছে। উন্নত মানের খাবার (তাবারুক) পোলাও মাংস পায়েস উপস্থিত মেহমানদের মাঝে বিতরন করা হয়। সারাদেশের পবিত্র ঈদ জামাতের সামান্য কিছু খন্ড চিত্র আপনাদের নিকট তুলে ধরলাম। 








যারা না জেনে না বুঝে সমালোচনা করতেছেন, তাদের উদ্দেশ্যে বলব ভাই/ বোন/বন্ধুগন, আগে জানার চেষ্টা করুন আল্লাহর ওলী সকল যুগে যুগে কি নেয়ামত নিয়ে দুনিয়াতে এসেছেন, তারা মানুষ কে কি শিক্ষা দিয়েছেন, তাদের উদ্দেশ্যই বা কি ছিল। তাহলেই সত্য এবং মিথ্যার পার্থক্য আপনার নিকট পরিষ্কার হয়ে যাবে।
সমালোচনা সারাজীবন করতে পারবেন, মানুষদের ভুলবুঝাতে পারবেন, তাতে বরং আপনার নিজেরই ক্ষতি হবে, তকদীর নষ্ট হবে, বিশ্ব জাকের মঞ্জিল, বিশ্ব ওলী খাজাবাবা ফরিদপুরী (কু:ছে:আ:) ছাহেবের কোন ক্ষতি হবে না। তাই বলছি, সমালোচনা বন্ধ করুন আল্লাহর বন্ধুর আদর্শের পতাকার নিছে সমবেত হোন।ইনশাআল্লাহ্‌ সেইদিন দিন বেশী দূরে নেই, সবাইকেই জাকের পার্টির পতাকাতলে সমবেত হতে হবে।





ঈমান বাঁচাতে যাদের কে বাদ দেওয়া উচিৎ সকল মিডিয়া থেকে

                                                                           

ওহাবীদের আসল রুপ হল সন্ত্রাসবাদ | সারাবিশ্বে সন্ত্রাসবাদের অর্থদাতা মদদ দাতা হল ওহাবী আব্দুল ওহাব নজদীর বংশধর, বর্তমান সৌদি রাজ পরিবার | যাদের কে দয়াল নবী রসুলে পাক (দ:) অবিষাপ দিয়ে গেছেন | এবং বলেছেন আব্দুল ওহাব নজদীর বংশধররা সারা পৃথিবীতে আমার উম্মতের মধ্যে ফেতনা সৃষ্টি করবে, মানুষ কে গোমরাহ করবে |
বর্তমান সৌদি আরবে যারা ক্ষমতায় তারা ১৯২৫ সালে ক্ষমতায় আসে, জাজিরারাতুল আরব নাম বাদ দিয়ে তাদের নেতা আল সৌদের নামে সৌদি আরব নামকরণ করে | এরপর শুরু হয় সাহাবি তাবেয়ী সহ আল্লাহ্‌র ওলীগনের পবিত্র মাজার শরীফ ধ্বংস করা | মদ নারী নিয়ে ভোগ বিলাশে মত্ত্ব থাকাই তাদের বংশগত পরিচয় | তাদের বিরুদ্ধে কেউ প্রতিবাদী হলেই ইসরাইল আমেরিকা পশ্চিমা ইহুদি নাসারাদের সাথে নিয়ে তাদের ধ্বংস করেই ছাড়বে | যার ভয়াবহতা আমরা দেখলাম ইরাক ফিলিস্তিন লিবিয়া ইয়েমেন আজ ধ্বংসস্তুপের উপর দাড়িয়ে | তাদের এই বিষবাষ্প উপমহাদেশও ছড়িয়ে পড়েছে ভাইরাস আকারে | এদের থেকে মুক্ত থাকার একটাই পথ আল্লাহ্‌র ওলীগনের সোহবত ও মহব্বত | মহান আল্লাহ্‌ তায়ালা আমাদের উপর রহমত বর্ষণ করুন | আমিন |