বিশেষজ্ঞদের মতে মানুষের পরেই পিঁপড়ারা সব থেকে জটিল সামাজিক ব্যাবস্থা গড়ে তুলতে সক্ষম। এজন্যই এই মহানগরী এতটা জটিল ভাবে গড়ে তোলা হয়েছে।
২০০০ সাল পর্যন্ত সবচেয়ে বড় পিঁপড়াদের মহানগরী ছিলো জাপানের "হোক্কাইডো(HOKKAIDO)" উপকূলের "ইশিকার(ISHIKAR)" অঞ্চলে।
আনুমানিক প্রায় ২.৭ বর্গ কিলোমিটার(৬৭০ একর প্রায়)জায়গা জুড়ে অবস্থিত মহানগরীতে ৩০৬ মিলিয়ন কর্মী পিঁপড়া, ১ মিলিয়ন রাণী পিঁপড়া ৪৫০০০ বাসায় অবস্থান করে।
কিন্তু ২০০০ সালে আর্জেন্টাইন পিঁপড়াদের আরেকটি মহানগরীর খোজ মেলে দক্ষিণ ইউরোপে।ভূমধ্যসাগরীয় এবং আটলান্টিক উপকূল সংলগ্ন প্রায় ৬০০৪ কিলোমিটার (৩৭৩১ মিটার) এলাকা জুড়ে ৩৩ প্রজাতির পিঁপড়া ৩০ টি পিঁপড়া মহানগরীর অন্তর্ভূত ছিলো।
আবার ব্রাজিলে বেশ বড় একটি পিঁপড়ার বাসার সন্ধান পাওয়া যায়।যেটাতে বিজ্ঞানীরা টানা ৩ দিন ধরে ১০ টন সিমেন্ট ঢালার পর সেটি পূর্ণ হয়।এখানে একটি রাণী পিঁপড়ার অধীনে ৩০০ মিলিয়ন পিঁপড়া বাস করত।এই মহানগরী তৈরী করতে প্রায় ৪০ টনের মত মাটি সরাতে হয়েছিলো বলে ধারণা করা হয়।
সেই মহানগরীর কিছু বৈশিষ্ট্য হলো :
→বায়ু প্রবাহ এবং পর্যাপ্ত বাতাস চলাচলের জন্য আলাদা আলাদা সুড়ঙ্গ ছিলো।
→মহানগরীর কেন্দ্রকে পুরো মহানগরীর সাথে সংযুক্ত রাখতে মহাসড়কও ছিলো।
→এখানে ফাঙ্গাসের বাগান করে,ফাঙ্গাসের চাষ করা করত তারা।এই ফাঙ্গাসের লার্ভাই পিঁপড়ার মূল খাবার।
→রাণী পিঁপড়ার বাসস্থান সবথেকে বড় করে গড়ে তোলা হয়।এছাড়াও আশে পাশে যত খালি জায়গা আছে,সব গুলো সৈনিক পিঁপড়াদের থাকার স্থান।


No comments:
Post a Comment