জেলা প্রতিনিধিঃ- ভোটে হেরে মসজিদে দান করা ফ্যান খুলে নিয়ে গিয়ে এবার তুমুল এক বিতর্কিত কান্ড ঘটালেন জামাত নেতা হাসান আলী। স্থানীয় জনগন ‘প্রতিশ্রুতি’ দিয়েছিলো তাকে নির্বাচিত করা হবে এবারের ভোটে। ‘সেই আশায়’ স্থানীয় একটি মসজিদে ভোট প্রত্যাশি সাবেক শিবির ও বর্তমান জামাত ইসলামী নেতা হাসান আলী দুটি ফ্যান দান করেছিলেন। তবে মসজিদে ‘দান’ করা সেই ফ্যানগুলো রাগে ক্ষোভে গতকাল নিজে উপস্থিত থেকে খুলে নিয়ে গেছেন তিনি। নির্বাচন এর আগেই আমি ফ্যান কিনে দিলাম যেন এলাকার মানুষ শান্তিতে নামাজ পরতে পারে, “গ্রামবাসীর এতো বড় উপকার করার পরেও ভোটাররা আমাকে ভোট দেয়নি, এবার এ এলাকার মানুষকে শান্তিতে থাকতে দেয়া হবে না। এ কারণে আমি নিজ থেকেই ফেরত নিয়েছি।” গত ২৮শে মে পঞ্চম ধাপের অনুষ্ঠিত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের সময় ঘটনাটি ঘটেছে ঠাকুরগাঁও জেলার সদর উপজেলার ১২ং সালান্দর ইউনিয়নে। অনুষ্ঠিত ইউপি নির্বাচনে হেরে গিয়ে তিনি ‘ক্ষুব্ধ’ হয়ে এই কাজটি করেন বলে জানা গেছে।
Wednesday, 20 July 2016
ভোটে হেরে মসজিদে দান করা ফ্যান খুলে নিলেন জামাত নেতা(jamater kando)
জেলা প্রতিনিধিঃ- ভোটে হেরে মসজিদে দান করা ফ্যান খুলে নিয়ে গিয়ে এবার তুমুল এক বিতর্কিত কান্ড ঘটালেন জামাত নেতা হাসান আলী। স্থানীয় জনগন ‘প্রতিশ্রুতি’ দিয়েছিলো তাকে নির্বাচিত করা হবে এবারের ভোটে। ‘সেই আশায়’ স্থানীয় একটি মসজিদে ভোট প্রত্যাশি সাবেক শিবির ও বর্তমান জামাত ইসলামী নেতা হাসান আলী দুটি ফ্যান দান করেছিলেন। তবে মসজিদে ‘দান’ করা সেই ফ্যানগুলো রাগে ক্ষোভে গতকাল নিজে উপস্থিত থেকে খুলে নিয়ে গেছেন তিনি। নির্বাচন এর আগেই আমি ফ্যান কিনে দিলাম যেন এলাকার মানুষ শান্তিতে নামাজ পরতে পারে, “গ্রামবাসীর এতো বড় উপকার করার পরেও ভোটাররা আমাকে ভোট দেয়নি, এবার এ এলাকার মানুষকে শান্তিতে থাকতে দেয়া হবে না। এ কারণে আমি নিজ থেকেই ফেরত নিয়েছি।” গত ২৮শে মে পঞ্চম ধাপের অনুষ্ঠিত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের সময় ঘটনাটি ঘটেছে ঠাকুরগাঁও জেলার সদর উপজেলার ১২ং সালান্দর ইউনিয়নে। অনুষ্ঠিত ইউপি নির্বাচনে হেরে গিয়ে তিনি ‘ক্ষুব্ধ’ হয়ে এই কাজটি করেন বলে জানা গেছে।
"পিঁপড়াদের মহানগরী" (Ant's Super colony)...
বিশেষজ্ঞদের মতে মানুষের পরেই পিঁপড়ারা সব থেকে জটিল সামাজিক ব্যাবস্থা গড়ে তুলতে সক্ষম। এজন্যই এই মহানগরী এতটা জটিল ভাবে গড়ে তোলা হয়েছে।
২০০০ সাল পর্যন্ত সবচেয়ে বড় পিঁপড়াদের মহানগরী ছিলো জাপানের "হোক্কাইডো(HOKKAIDO)" উপকূলের "ইশিকার(ISHIKAR)" অঞ্চলে।
আনুমানিক প্রায় ২.৭ বর্গ কিলোমিটার(৬৭০ একর প্রায়)জায়গা জুড়ে অবস্থিত মহানগরীতে ৩০৬ মিলিয়ন কর্মী পিঁপড়া, ১ মিলিয়ন রাণী পিঁপড়া ৪৫০০০ বাসায় অবস্থান করে।
কিন্তু ২০০০ সালে আর্জেন্টাইন পিঁপড়াদের আরেকটি মহানগরীর খোজ মেলে দক্ষিণ ইউরোপে।ভূমধ্যসাগরীয় এবং আটলান্টিক উপকূল সংলগ্ন প্রায় ৬০০৪ কিলোমিটার (৩৭৩১ মিটার) এলাকা জুড়ে ৩৩ প্রজাতির পিঁপড়া ৩০ টি পিঁপড়া মহানগরীর অন্তর্ভূত ছিলো।
আবার ব্রাজিলে বেশ বড় একটি পিঁপড়ার বাসার সন্ধান পাওয়া যায়।যেটাতে বিজ্ঞানীরা টানা ৩ দিন ধরে ১০ টন সিমেন্ট ঢালার পর সেটি পূর্ণ হয়।এখানে একটি রাণী পিঁপড়ার অধীনে ৩০০ মিলিয়ন পিঁপড়া বাস করত।এই মহানগরী তৈরী করতে প্রায় ৪০ টনের মত মাটি সরাতে হয়েছিলো বলে ধারণা করা হয়।
সেই মহানগরীর কিছু বৈশিষ্ট্য হলো :
→বায়ু প্রবাহ এবং পর্যাপ্ত বাতাস চলাচলের জন্য আলাদা আলাদা সুড়ঙ্গ ছিলো।
→মহানগরীর কেন্দ্রকে পুরো মহানগরীর সাথে সংযুক্ত রাখতে মহাসড়কও ছিলো।
→এখানে ফাঙ্গাসের বাগান করে,ফাঙ্গাসের চাষ করা করত তারা।এই ফাঙ্গাসের লার্ভাই পিঁপড়ার মূল খাবার।
→রাণী পিঁপড়ার বাসস্থান সবথেকে বড় করে গড়ে তোলা হয়।এছাড়াও আশে পাশে যত খালি জায়গা আছে,সব গুলো সৈনিক পিঁপড়াদের থাকার স্থান।
Tuesday, 19 July 2016
এক অসুহায় বিখ্যাত মনিষী
পৃথিবীকাঁপানো এই বিখ্যাত মনিষীর কাহিনী পড়ে আমি স্তম্ভিত হয়ে গেছি। হায়রে মানব জীবন! ১৯৬১ সালে পুরো ভারতবর্ষে মাধ্যমিক পরীক্ষায় প্রথম। এরপর ১৯৬৩ সালে ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া
থেকে মাত্র দুবছরের মাঝে গণিতে মাস্টার্স ডিগ্রী লাভ করে ১৯৬৯ সালে গণিতে পিএইচডি।Reproducing Kernels and Operators with a Cyclic Vector- এর জনক হিসাবে স্বীকৃতি। ১৯৬৯ সালেই নাসার গবেষক হিসাবে যোগদান করে ১৯৭৩ সালে দেশ সেবার মহানব্রত নিয়ে ফিরে আসেন ভারতে। নাসা'তে উনার অভূতপূর্ব সাফল্যের জন্য বলা হয়েছিলো- গণিতে যদি কোনো নোবেল পুরস্কার থাকতো তবে সেটা উনারই প্রাপ্য হতো। আইআইটি সহ ভারতের একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনায় নিজেকে নিয়োজিত করেন। তারপর শুরু হতে থাকে ধীরে ধীরে উনার মানসিক ভারসাম্য হীনতা। তিনি সিজোফ্রেনিয়া নামক একটি রোগে আক্রান্ত হন। (এ রোগের বৈশিষ্ট্য হচ্ছে ভুলভাল শোনা, উদ্ভট, বিভ্রান্তিকর বা অলীক কিছু দেখা এবং অসঙ্গতিপূর্ণ কথাবার্তা এবং চিন্তাধারা এবং অনুভূতির প্রকাশের মধ্যে সঙ্গতি থাকে না। এ রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি সামাজিক বা কর্মক্ষেত্রে প্রায়শঃই অক্ষমতাজনিত অসুবিধার সম্মুখীন হন।)
উনি স্ত্রী, ঘর ,সংসার সবকিছু থেকে আলাদা হয়ে যান। প্রায় তিন বছর ব্যাঙ্গালোরের একটি মেডিকেলে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় ১৯৮৮ সালের পর থেকে একেবারেই নিঁখোজ । কারো সাথে কোনো যোগাযোগ নেই। কেউজানেনা উনি বেঁচে আছেন নাকি মারা গেছেন।তারপর, ১৯৯২ সালে উনাকে পাওয়া
যায় গৃহহীন হয়ে বিহারের রাস্তার ফুটপাথে অর্ধউলঙ্গ হয়ে শুয়ে আছেন। কোনো কথা নেই, কাউকে চিনেন না। গণিতের অসংখ্য সূত্র যিনি পৃষ্ঠার পর পৃষ্ঠা মুহুর্তেই বলে দিতে পারতেন- সেই বিদ্বান, মনিষী, গণিত বিজ্ঞানী নিজের নামটিও আর বলতে পারেননা। শুধু ভারত নয় , ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে উনি একনামে পরিচিতগণিত বিজ্ঞানী হিসাবে - ড: বশিষ্ঠ নারায়ণ সিংহ। Dr. VashishthaNarayanSingh। বিহারে যখন উনাকে ভবঘুরে অবস্থায়পাওয়া যায় তখনকার এই ছবি-পুরো ভারতবর্ষের মানুষ বিশেষ করে শিক্ষিতজন উনার এই ছবি দেখে চমকে ওঠেছিলো। টাইমস অব ইন্ডিয়ায় হেডলাইন হয়। পাটনার এক ঘরে এখন তিনি বলতে গেলে একেবারে একাকী জীবন যাপন করেন।এই অসামান্য গুণী মানুষের জীবন কাহিনী পড়ে আমি নিথর,নীরব, নিস্তব্ধ হয়ে গেছি। হারিয়ে গেছি এক ভাবনার জগতে। হায়!! মানব জীবন!! আমরা কত বেশি অসহায়!!! কত রহস্যময় এই পৃথিবী।
কখন,কেমন করে,কীভাবে যে কি হয়ে যায়। নিমিষেই বদলে যায় মানুষের জীবন। এই রকম জীবন্ত একটা দৃষ্টান্ত থেকে যদি শিখার কিছু না থাকে তবে আমাদের চেয়ে হতভাগা আর কেউ নেই। নিমিষেই সবকিছু চূর্ণ হয়ে যায়।................
পোষ্টটি শেয়ার করে সবাইকে জানার সুযোগ করে দিন..
সারা দেশে জাকের পার্টির ১১৩ ঈদের জামায়াত
অনেকেই
জাকের পার্টি নিয়ে হাসি তামাশা করেন, দুই দুই বার জাতীয় নির্বাচনে
প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেছে কোন সিট পায় নি, তারা কি করে সংসদে যাবে? অনেক
দরবারের পীরেরা আমাদের বিরুধ্যে ফতুয়া দেন, সুন্নিদের মধ্যে বেশীর ভাগেই
আমাদের সমালোচনায় মুখর থাকেন, আমরা নাকি সুন্নিয়তের জন্য কিছুই করিনা।
ওহাবীরা তো ঢোল তবলা আর মাইক নিয়া স্লোগান দিতেছে, বেদাত, হারাম, নাজায়েজ
শিরক সব নাকি আটরশীতে চলতেছে ইত্যাদি ইত্যাদি।
আসলে যারা এইসব মিথ্যা প্রোপাগান্ডা চড়াচ্ছেন তারা বিশ্ব ওলী খাজাবাবা ফরিদপুরী (কু:ছে:আ:) ছাহেব, বিশ্ব জাকের মঞ্জিল এবং জাকের পার্টি সম্পর্কে সামান্যতম জ্ঞান বা ধারনা রাখেন না।
জাকের পার্টি ক্ষমতা কেন্দ্রিক পার্টি না, আদর্শ কেন্দ্রিক পার্টি। যার কারনে নিরবে নিভৃতে বিশ্ব ওলী খাজাবাবা ফরিদপুরী (কু:ছে:আ:) ছাহেবের পবিত্র দরশন আদর্শ কে বুকে ধারন করে আদব, বুদ্ধি, মহব্বত ও সাহসের বলে বলিয়ান হয়ে জাকের পার্টির প্রতিটি সদস্য সদস্যা পাড়া মহল্লা, ওয়ার্ড, গ্রাম, ইউনিয়ন, উপজেলা, জেলা, বিভাগ মহানগর কেন্দ্র পর্যন্ত নিরলস ভাবে সেচ্ছায় কাজ করে যাচ্ছে দেশ ও দেশের মানুষের জন্য, সত্য ইসলামের আদর্শ এবং তার রুপরেখা সকলের মাঝে ছড়িয়ে দেয়ার জন্য। মারামারি, রক্তপাত, হত্যা হানাহানি মানুষের সম্পদহানি হরতাল ভাংচুর বোমাবাজি জাকের পার্টির রাজনিতি না।
প্রেম ভালবাসা দয়া মমতা উদারতা আর ক্ষমার অনন্য এক নজির উপস্থাপন করে বিশ্ব ওলী খাজাবাবা ফরিদপুরী (কু:ছে:আ:) ছাহেব আজ থেকে সাতষট্টি বছর পুরবে বিশ্ব জাকের মঞ্জিলে যে বিজ বপন করেছিলেন, তা ধিরে ধিরে অনকুর থেকে চারাগাছ, চারাগাছ থেকে ফলবান বৃক্ষে পরিনত হতে ফুলে ফুলে শুরভি ছড়াচ্ছে।
তারেই সামান্য নমুনা মাত্র, পবিত্র ঈদ-উল-ফেতর এর মহা জামাত জাকের পার্টির মাধ্যমে ১১৩টি স্পটে দেশের প্রতিটি জেলা সদর, মহানগর এবং বিভাগীয় সদরে ব্যাপক উতসাহ উদ্দীপনা ভাবগাম্ভীর্যের মধ্যে দিয়ে সফল ভাবে সমাপ্ত হয়।
সারাদেশে দুর্যোগপুরন আবহাওয়া, যেখানে মুশলধারে বৃষ্টি হচ্ছে, বৃষ্টির কারনে অনেক ঈদগাহ ময়দান খালি ছিল, সেখানে বিশ্ব ওলীর দয়া এবং আল্লাহতায়ালার অশেষ রহমতে জাকের পার্টির তত্বাবদানে এবং সার্বিক ব্যাবস্থাপনায় অত্যান্ত সুন্দর ও শান্তিপুরনভানবে সমাপ্ত হয়েছে। উন্নত মানের খাবার (তাবারুক) পোলাও মাংস পায়েস উপস্থিত মেহমানদের মাঝে বিতরন করা হয়। সারাদেশের পবিত্র ঈদ জামাতের সামান্য কিছু খন্ড চিত্র আপনাদের নিকট তুলে ধরলাম।
আসলে যারা এইসব মিথ্যা প্রোপাগান্ডা চড়াচ্ছেন তারা বিশ্ব ওলী খাজাবাবা ফরিদপুরী (কু:ছে:আ:) ছাহেব, বিশ্ব জাকের মঞ্জিল এবং জাকের পার্টি সম্পর্কে সামান্যতম জ্ঞান বা ধারনা রাখেন না।
জাকের পার্টি ক্ষমতা কেন্দ্রিক পার্টি না, আদর্শ কেন্দ্রিক পার্টি। যার কারনে নিরবে নিভৃতে বিশ্ব ওলী খাজাবাবা ফরিদপুরী (কু:ছে:আ:) ছাহেবের পবিত্র দরশন আদর্শ কে বুকে ধারন করে আদব, বুদ্ধি, মহব্বত ও সাহসের বলে বলিয়ান হয়ে জাকের পার্টির প্রতিটি সদস্য সদস্যা পাড়া মহল্লা, ওয়ার্ড, গ্রাম, ইউনিয়ন, উপজেলা, জেলা, বিভাগ মহানগর কেন্দ্র পর্যন্ত নিরলস ভাবে সেচ্ছায় কাজ করে যাচ্ছে দেশ ও দেশের মানুষের জন্য, সত্য ইসলামের আদর্শ এবং তার রুপরেখা সকলের মাঝে ছড়িয়ে দেয়ার জন্য। মারামারি, রক্তপাত, হত্যা হানাহানি মানুষের সম্পদহানি হরতাল ভাংচুর বোমাবাজি জাকের পার্টির রাজনিতি না।
প্রেম ভালবাসা দয়া মমতা উদারতা আর ক্ষমার অনন্য এক নজির উপস্থাপন করে বিশ্ব ওলী খাজাবাবা ফরিদপুরী (কু:ছে:আ:) ছাহেব আজ থেকে সাতষট্টি বছর পুরবে বিশ্ব জাকের মঞ্জিলে যে বিজ বপন করেছিলেন, তা ধিরে ধিরে অনকুর থেকে চারাগাছ, চারাগাছ থেকে ফলবান বৃক্ষে পরিনত হতে ফুলে ফুলে শুরভি ছড়াচ্ছে।
তারেই সামান্য নমুনা মাত্র, পবিত্র ঈদ-উল-ফেতর এর মহা জামাত জাকের পার্টির মাধ্যমে ১১৩টি স্পটে দেশের প্রতিটি জেলা সদর, মহানগর এবং বিভাগীয় সদরে ব্যাপক উতসাহ উদ্দীপনা ভাবগাম্ভীর্যের মধ্যে দিয়ে সফল ভাবে সমাপ্ত হয়।
সারাদেশে দুর্যোগপুরন আবহাওয়া, যেখানে মুশলধারে বৃষ্টি হচ্ছে, বৃষ্টির কারনে অনেক ঈদগাহ ময়দান খালি ছিল, সেখানে বিশ্ব ওলীর দয়া এবং আল্লাহতায়ালার অশেষ রহমতে জাকের পার্টির তত্বাবদানে এবং সার্বিক ব্যাবস্থাপনায় অত্যান্ত সুন্দর ও শান্তিপুরনভানবে সমাপ্ত হয়েছে। উন্নত মানের খাবার (তাবারুক) পোলাও মাংস পায়েস উপস্থিত মেহমানদের মাঝে বিতরন করা হয়। সারাদেশের পবিত্র ঈদ জামাতের সামান্য কিছু খন্ড চিত্র আপনাদের নিকট তুলে ধরলাম।
যারা না জেনে না বুঝে সমালোচনা করতেছেন, তাদের উদ্দেশ্যে বলব ভাই/ বোন/বন্ধুগন, আগে জানার চেষ্টা করুন আল্লাহর ওলী সকল যুগে যুগে কি নেয়ামত নিয়ে দুনিয়াতে এসেছেন, তারা মানুষ কে কি শিক্ষা দিয়েছেন, তাদের উদ্দেশ্যই বা কি ছিল। তাহলেই সত্য এবং মিথ্যার পার্থক্য আপনার নিকট পরিষ্কার হয়ে যাবে।
সমালোচনা সারাজীবন করতে পারবেন, মানুষদের ভুলবুঝাতে পারবেন, তাতে বরং আপনার নিজেরই ক্ষতি হবে, তকদীর নষ্ট হবে, বিশ্ব জাকের মঞ্জিল, বিশ্ব ওলী খাজাবাবা ফরিদপুরী (কু:ছে:আ:) ছাহেবের কোন ক্ষতি হবে না। তাই বলছি, সমালোচনা বন্ধ করুন আল্লাহর বন্ধুর আদর্শের পতাকার নিছে সমবেত হোন।ইনশাআল্লাহ্ সেইদিন দিন বেশী দূরে নেই, সবাইকেই জাকের পার্টির পতাকাতলে সমবেত হতে হবে।
ঈমান বাঁচাতে যাদের কে বাদ দেওয়া উচিৎ সকল মিডিয়া থেকে
ওহাবীদের আসল রুপ হল সন্ত্রাসবাদ | সারাবিশ্বে সন্ত্রাসবাদের অর্থদাতা মদদ দাতা হল ওহাবী আব্দুল ওহাব নজদীর বংশধর, বর্তমান সৌদি রাজ পরিবার | যাদের কে দয়াল নবী রসুলে পাক (দ:) অবিষাপ দিয়ে গেছেন | এবং বলেছেন আব্দুল ওহাব নজদীর বংশধররা সারা পৃথিবীতে আমার উম্মতের মধ্যে ফেতনা সৃষ্টি করবে, মানুষ কে গোমরাহ করবে |
বর্তমান সৌদি আরবে যারা ক্ষমতায় তারা ১৯২৫ সালে ক্ষমতায় আসে, জাজিরারাতুল আরব নাম বাদ দিয়ে তাদের নেতা আল সৌদের নামে সৌদি আরব নামকরণ করে | এরপর শুরু হয় সাহাবি তাবেয়ী সহ আল্লাহ্র ওলীগনের পবিত্র মাজার শরীফ ধ্বংস করা | মদ নারী নিয়ে ভোগ বিলাশে মত্ত্ব থাকাই তাদের বংশগত পরিচয় | তাদের বিরুদ্ধে কেউ প্রতিবাদী হলেই ইসরাইল আমেরিকা পশ্চিমা ইহুদি নাসারাদের সাথে নিয়ে তাদের ধ্বংস করেই ছাড়বে | যার ভয়াবহতা আমরা দেখলাম ইরাক ফিলিস্তিন লিবিয়া ইয়েমেন আজ ধ্বংসস্তুপের উপর দাড়িয়ে | তাদের এই বিষবাষ্প উপমহাদেশও ছড়িয়ে পড়েছে ভাইরাস আকারে | এদের থেকে মুক্ত থাকার একটাই পথ আল্লাহ্র ওলীগনের সোহবত ও মহব্বত | মহান আল্লাহ্ তায়ালা আমাদের উপর রহমত বর্ষণ করুন | আমিন |
Subscribe to:
Posts (Atom)











